Após renascer acidentalmente em um mundo diferente, Li Wen descobriu que estava em um lugar onde era possível cultivar. Diante da vasta imensidão deste grande mundo e do misterioso caminho da imortali
(১/৩ পৃষ্ঠা)
লী ওয়েন ধীরে ধীরে চোখ মেলে ধরলো। উপরে ছেঁড়া-ফাটা ছাদের দিকে তাকিয়ে রইল। ছাদের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো ঘরের ভেতর এসে পড়েছে, তার মুখের ওপর ছায়া-রোদ মাখিয়ে দিচ্ছে, যা তাকে একধরনের উষ্ণতা অনুভব করাচ্ছে। অশক্ত হাতে চোখ কচলাতে কচলাতে সে মাথা ঘুরিয়ে পাশে তাকালো। দেখতে পেল, সে একটি ঘরের ভেতরে শুয়ে আছে। ঘরটি বেশ পুরনো হলেও পরিচ্ছন্ন। ঘরের কোণায় একটি চুলা, তার ওপরে একটি মাটির কলসি, চুলার আগুনে ফুটতে থাকা সেই কলসি থেকে ধোঁয়া উঠছে।
‘আমি কোথায় চলে এলাম?’
অচেনা পরিবেশের দিকে তাকিয়ে লী ওয়েন স্মরণ করতে লাগল—সেদিন সে বন্ধুদের সাথে পাহাড়ে উঠতে গিয়েছিল। অনেক কষ্টে চূড়ায় পৌঁছানোর পর, বন্ধু ছবি তুলতে বলল। ঠিক সেই মুহূর্তে, যখন সে পোজ দিচ্ছে, হঠাৎ অঘটন। বন্ধু তাকে ঠেলে ফেলল খাড়াই পাহাড়ের কিনারা থেকে।
এ চিন্তায় লী ওয়েনের চোখে হঠাৎ কঠোরতা ঝিলিক দিল। যেহেতু সে পড়ে গিয়ে মরেনি, ফিরে গেলে কাউকে ছাড়বে না—এমন সংকল্প মনে জাগল।
এসময় দরজার কড়ানাড়ির শব্দ। লী ওয়েনের দৃষ্টি দরজার দিকে। এক খর্বাকৃতি, কালচে ত্বকের এক যুবক প্রবেশ করলো। তার পরনে নীল-সবুজ গাউন, কাঁধে ঝোলানো ছোট পুঁটলি। যুবকটি লী ওয়েনকে জেগে উঠতে দেখে উৎফুল্ল হয়ে উঠল।
দ্রুত এগিয়ে এসে লী ওয়েনের কপালে হাত রাখল।
‘গুরুজি যেমন বলেছিলেন, জ্বর কমলে ঠিক জেগে উঠবে!’
লী ওয়েন তার সামনে দাঁড়ানো খর্বাকৃতি যুবকটির দিকে তাকিয়ে অজানা এক চেনামন ভাব অনুভব করল। কোথায় যেন দেখেছে—মনে করতে গেলেই মাথায় তীব্র যন্ত্রণা, মুখ থেকে ব্যথার শব্দ বেরিয়ে এল।
লী ওয়েনের মুখে যন্ত্রণার ছাপ দেখে যুবকটি উৎফুল্লতা ভুলে দুশ্চিন্তায় পড়ল।
‘ভাই, তুমি ধৈর্য ধরো, আমি এখনই গুরুজিকে ডেকে আনছি!’
এ কথা বলেই যুবকটি তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে গেল।
‘ভাই? গুরুজি?’
তার তাড়া